– যদিও আমি জানি যে ইস্রায়েলীয়দের কাছে একাধিক নবী প্রেরিত হয়েছিলেন…
– আয়াতে বলা হয়েছে, “প্রত্যেক জাতির, প্রত্যেক উম্মতের কাছে একজন নবী পাঠানো হয়েছে।” প্রত্যেক জাতির একজন নবী আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কি প্রত্যেক জাতির কি শুধু একজনই নবী আছে?
– কিন্তু আয়াতে “প্রত্যেক জাতির জন্য একজন নবী আছেন। প্রত্যেক জাতির কাছে একজন নবী পাঠানো হয়েছে।” এই বাক্যে হয়তো “একজন” শব্দটা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রিয় ভাই/বোন,
“প্রত্যেক জাতিরই একজন নবী আছেন। যখন তাদের নবীগণ তাদের কাছে আসেন, তখন তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হয়, তাদের কারো প্রতি অবিচার করা হয় না।”
(ইউনুস, ১০/৪৭)
আয়াতে
“একজন নবী প্রেরিত হয়েছেন”
এই উক্তিটি শুধুমাত্র একটি অর্থেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি এই সত্যকে প্রকাশ করে যে, প্রত্যেক উম্মতের কাছে নবী ও রাসূলগণ প্রেরিত হয়েছেন। বস্তুত, একই উম্মতের কাছে একই সময়ে একাধিক নবীও প্রেরিত হয়েছেন। যেমন, হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারুন (আঃ)।
প্রতিটি বিগত উম্মতেরই একজন নবী ছিলেন, যিনি মানুষকে আল্লাহর ধর্মে ও তাঁর আনুগত্যে আহ্বান করতেন। আখিরাতে যখন সেই উম্মতসমূহের নবীরা হিসাবের স্থানে আসবেন, তখন উম্মতের সদস্যদের মধ্যে ন্যায়বিচার করা হবে, তাদের প্রতি কোন অন্যায় করা হবে না।
পরকালে প্রত্যেক উম্মত নিজ নিজ নবীর সাথে আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হবে। তাদের কৃতকর্ম ও তাদের রক্ষাকারী ফেরেশতারা তাদের দুনিয়ার কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। অবশেষে তাদের মধ্যে বিচার করা হবে, প্রত্যেককে তার প্রাপ্য শাস্তি বা পুরস্কার দেওয়া হবে, কারো প্রতি অবিচার করা হবে না।
সালাম ও দোয়ার সহিত…
প্রশ্নোত্তরে ইসলাম